https://www.prothomalo.com/world/usa/wyulu7smli
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ: নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নীতিগত পরিবর্তন
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন, যা অভিবাসন, পরিবেশ এবং বৈচিত্র্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগুলোতে ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ক্ষমতায় ফেরার প্রথম দিনেই তিনি প্রায় ৫০টি নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেছেন, যা বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতিগুলো বাতিল করে নতুন দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।
ট্রাম্পের এসব আদেশের মূল লক্ষ্য ছিল বাইডেন প্রশাসনের নেয়া বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ নীতির পরিবর্তন আনা। এর মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার, অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনের অনুমোদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শপথ নেওয়ার পর এক ভাষণে ট্রাম্প জানান, তিনি বিগত প্রশাসনের প্রণীত প্রায় ৮০টি "ক্ষতিকর ও কট্টরপন্থী" নির্বাহী আদেশ বাতিল করছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতিগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী কর্মসূচির সীমিতকরণ এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন কারাগার ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব পরিবর্তন আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে, তবে এতে ট্রাম্পের প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গির স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও অভ্যন্তরীণ নীতিতে পরিবর্তন আনায় ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব উদ্যোগ ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ঘোষিত ‘ডিপ স্টেট’ ব্যবস্থাকে ভাঙার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নেয়া এই সিদ্ধান্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
Login
সর্বশেষ
রাজনীতি
বাংলাদেশ
অপরাধ
বিশ্ব
বাণিজ্য
মতামত
খেলা
বিনোদন
চাকরি
জীবনযাপন
Eng
By using this site, you agree to our Privacy Policy.
OK
ভিডিও
ছবি
ভিডিও
যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ: বাইডেনের নীতি বদল ও ‘ডিপ স্টেটকে’ আক্রমণ
নিউইয়র্ক টাইমস
আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৫, ২১: ১২
ফলো করুন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি নিয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত ২০১৭ সালের ১ জুন। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হয়েই দ্বিতীয় দফায় এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করলেন তিনি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি নিয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত ২০১৭ সালের ১ জুন। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হয়েই দ্বিতীয় দফায় এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করলেন তিনিছবি: এএফপি
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই প্রায় অর্ধশত নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্ষমতার বলিষ্ঠ প্রয়োগে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন, যাতে অভিবাসন, পরিবেশ ও বৈচিত্র্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান নীতিগুলো বদলে দেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রাম্পের একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারির লক্ষ্য ছিল বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পথ থেকে দেশকে ফিরিয়ে আনা। এই প্রচেষ্টায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ নীতি, জলবায়ু ও অভিবাসন। পাশাপাশি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে নিজের এজেন্ডাকে সামনে নিয়ে এসেছেন ট্রাম্প। প্রাকৃতিক সম্পদের অনুসন্ধান ও তা উত্তোলনের সুযোগ তৈরি এবং শরণার্থী ও অভিবাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যে বৈশ্বিক ভূমিকা রাখছে, তা বদলে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
গতকাল সোমবার শপথ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, তিনি বিগত প্রশাসনের প্রায় ৮০টি ‘ক্ষতিকর, কট্টরপন্থী নির্বাহী পদক্ষেপ’ও বাতিল করছেন।
বাইডেনের যেসব আদেশ ট্রাম্প বাতিল করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের শরণার্থী কর্মসূচি নবায়ন এবং ধাপে ধাপে বিচার বিভাগের ব্যক্তিমালিকানাধীন কারাগারের ব্যবহার বন্ধ।
ট্রাম্পের এসব নির্বাহী আদেশের কিছু নিশ্চিতভাবে আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে এবং অনেকগুলো প্রতীকী হিসেবে থাকবে। তবে একসঙ্গে এসব আদেশ বাইডেন প্রশাসন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে পরিচালিত করেছে, তার চেয়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করার তাঁর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প ও তাঁর সহকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেট’ বলে যে ব্যবস্থাকে বুঝিয়েছেন, সেটা ভেঙে দেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারসহ প্রথম দিনে ট্রাম্প যেসব বিষয়ে পরিবর্তন এনেছেন, তার উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
Comments
Post a Comment